সূরা ফাতিহা (আল-হামদ)
আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا
الضَّالِّينَ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন
আর-রাহমানির রাহিম
মালিকি ইয়াওমিদ্দীন
ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন
ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাক্বীম
সিরাতাল্লাযিনা আন’আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্বাল্লীন
বাংলা অর্থ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম দয়ালু, অসীম দয়ালু।
সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের রব।
তিনি পরম করুণাময়, দয়াময়।
বিচার দিনের মালিক।
আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, আর শুধু তোমারই সাহায্য চাই।
আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করো,
সে পথ যাদের তুমি অনুগ্রহ করেছো, যাদের ওপর তোমার গজব হয়নি, আর যারা পথভ্রষ্ট হয়নি।
সূরা মাউন
আরবি:
أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ
فَذَلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ
وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ
فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ
الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ
الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ
وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
উচ্চারণ:
আরাআইতাল্লাযি ইউকাজ্জিবু বিদ্দ্বীন
ফাযালিকাল্লাযি ইয়াদু’উল ইয়াতীম
ওয়ালা ইয়াহুদ্দু ‘আলা তা’আমিল মিসকীন
ফাওয়াইলুল লিলমুসল্লীন
আল্লাযীনা হুম আন সালাতিহিম সাহূন
আল্লাযীনা হুম ইউরাআউন
ওয়া ইয়ামনা’উনাল মাউন
অর্থ:
তুমি কি তাকে দেখেছো যে পরকালের বিচারকে মিথ্যা বলে?
সে-ই তো ইয়াতীমকে ধমক দেয়,
আর মিসকীনকে খাদ্য দানে উৎসাহিত করে না।
অতএব দুর্ভোগ সেই নামাজিদের জন্য,
যারা তাদের নামাজে গাফিল,
যারা লোক দেখানোর জন্য নামাজ পড়ে,
আর ছোটখাটো সাহায্যও করে না।
সূরা কুরাইশ
আরবি:
لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ
فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَٰذَا الْبَيْتِ
الَّذِي أَطْعَمَهُمْ مِنْ جُوعٍ وَآمَنَهُمْ مِنْ خَوْفٍ
উচ্চারণ:
লি ইলাফি কুরাইশ
ইলাফিহিম রিহলাতাশ-শিতা-ই ওয়াস-সাইফ
ফালইয়াবুদূ রব্বা হাযাল বাইত
আল্লাযী আতআমাহুম মিন জূ’ইওঁ ওয়া আ-মানাহুম মিন খাওফ
অর্থ:
কুরাইশদের অভ্যাসের কারণে,
তাদের শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সফরের অভ্যাসের কারণে,
তাদের উচিত এই ঘরের রবের ইবাদত করা,
যিনি তাদেরকে ক্ষুধা থেকে আহার দিয়েছেন, আর ভয় থেকে নিরাপত্তা দিয়েছেন।
সূরা কাওসার
আরবি:
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ
উচ্চারণ:
ইন্না আ'তাইনাকাাল কাওসার
ফাসাল্লি লি রব্বিকা ওয়ানহার
ইন্না শানিয়াকা হুয়াল আবতার
অর্থ:
আমি তো তোমাকে কাওসার দান করেছি।
অতএব তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ পড়ো এবং কোরবানি করো।
নিশ্চয়ই তোমার শত্রুই নিঃসন্তান।
সূরা লাহাব
আরবি:
تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ
مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ
سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ
فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ
উচ্চারণ:
তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাবিন ওয়াতাব
মা আগনা ‘আনহু মালুহু ওয়া মা কাসাব
সাইয়াসলা নারান্ যায়াতা লাহাব
ওয়ামরাআতুহু হাম্মালাতাল হাতাব
ফি জিদিহা হাবলুম মিন মাসাদ
অর্থ:
আবু লাহাবের হাত ধ্বংস হোক এবং সে ধ্বংস হয়েছে।
তার সম্পদ ও উপার্জন কোন কাজে আসবে না।
সে শিগগিরই প্রবেশ করবে প্রজ্জ্বলিত আগুনে।
তার স্ত্রীও—যে কাঠ বহন করে বেড়াত।
তার গলায় থাকবে খেজুরের আঁশের রশি।
সূরা ফীল
আরবি:
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ مِنْ سِجِّيلٍ
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَأْكُولٍ
উচ্চারণ:
আলাম তারা কৈফা ফা‘আলা রব্বুকা বিআসহাবিল ফীল
আলাম ইয়াজ‘আল কাইদাহুম ফি তাদলীল
ওয়া আরসালা ‘আলাইহিম তায়রান আবাবীল
তারমীহিম বিহিজারাতিম মিন সিজ্জীল
ফা জা‘আলাহুম কা‘আছফিম মাকউল
অর্থ:
তুমি কি দেখোনি তোমার রব হাতিওয়ালাদের সাথে কেমন আচরণ করেছিলেন?
তিনি কি তাদের ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করে দেননি?
আর তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি,
যারা তাদের উপর নিক্ষেপ করছিল পাথর—পোড়া মাটির তৈরি।
অতঃপর তিনি তাদেরকে করে দিলেন খাওয়া খড়ের মতো।
সূরা তাকাসুর
আরবি:
أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ
حَتَّىٰ زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ
كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ
ثُمَّ كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ
كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ الْيَقِينِ
لَتَرَوُنَّ الْجَحِيمَ
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ الْيَقِينِ
ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ
উচ্চারণ:
আলহাকুমুত তাকাছুর
হাত্তা জুরতুমুল মাকাবির
কাল্লা সওফা তা‘লামুন
সুম্মা কাল্লা সওফা তা‘লামুন
কাল্লা লাও তা‘লামুনা ইলমাল ইয়াক্বীন
লাতারাওন্নাল জাহীম
সুম্মা লাতারাওন্নাহা আইনা’ল ইয়াক্বীন
সুম্মা লাতুসআলুন্না ইয়াওমাইযিন আ‘নিন নাঈম
অর্থ:
বেশি বেশি সম্পদ অর্জনের প্রতিযোগিতা তোমাদের গাফিল করে রেখেছে,
যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছো।
কখনোই নয়! অচিরেই তোমরা জানতে পারবে।
পুনরায় (বলছি) কখনোই নয়! তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে।
যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞান পেতে,
তাহলে অবশ্যই জাহান্নামকে দেখতে।
তারপর তোমরা তা দেখবে প্রত্যক্ষভাবে।
আর সেদিন তোমাদের অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।
সূরা হুমাযাহ
আরবি:
وَيْلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ
الَّذِي جَمَعَ مَالًا وَعَدَّدَهُ
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ
كَلَّا ۖ لَيُنْبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ
نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ
الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ
إِنَّهَا عَلَيْهِمْ مُؤْصَدَةٌ
فِي عَمَدٍ مُمَدَّدَةٍ
উচ্চারণ:
ওয়াইলুল্লিকুল্লি হুমাযাতিল লুমাযাহ
আল্লাযী জামা‘আ মালান ওয়া ‘আদ্দাদাহু
ইয়াহসাবু আন্না মালাহু আখলাদাহু
কাল্লা, লাইউনবাযান্না ফিল হুত্বামাহ
ওয়া মা আদরাকা মাল হুত্বামাহ
নারুল্লাহিল মূক্বাদাহ
আল্লাতী তাত্তালিউ ‘আলাল আফিদাহ
ইন্নাহা ‘আলাইহিম মু’সাদাহ
ফি ‘আমাদিম মুমাদ্দাদাহ
অর্থ:
ধ্বংস সবার জন্য,
যে পেছনে লাগে, কটু কথা বলে।
যে সম্পদ জমায় ও তা গুনে রাখে।
সে ভাবে, তার ধন তাকে অমর করবে।
কখনো নয়! তাকে অবশ্যই নিক্ষেপ করা হবে হুতামায়।
তুমি জান কি হুতামা কী?
এটি আল্লাহর জ্বালানো আগুন,
যা অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
নিশ্চয়ই তা তাদের উপর ঢেকে দেওয়া হবে।
লম্বা লম্বা খুঁটির মাঝে।
সূরা আসর
আরবি:
وَالْعَصْرِ
إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ
وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ
উচ্চারণ:
ওয়াল আসর
ইন্নাল ইনসানা লাফি খুসর
ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূ ওয়া আমিলুস সালিহাত
ওয়া তাওয়াসাউ বিল হাক্কি ওয়া তাওয়াসাউ বিস্-সবর
অর্থ:
শপথ সময়ের,
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে,
কেবল তারা ছাড়া—যারা ঈমান এনেছে,
সৎকর্ম করেছে,
এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে,
এবং ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।
সূরা ইখলাছ (الإخلاص)
আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
اللَّهُ الصَّمَدُ
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
কুল হুয়াল্লাহু আহাদ
আল্লাহুস্ সামাদ
লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ
ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
অর্থ:
বলুন, তিনি আল্লাহ এক,
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি।
আর তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।
সূরা ফালাক (الفلق)
আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক
মিন শাররি মা খালাক
ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব
ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাসাতি ফিল উক্বাদ
ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ
অর্থ:
বলুন, আমি আশ্রয় চাই প্রভাতের রবের কাছে,
তাঁর সৃষ্ট জিনিসের অনিষ্ট থেকে,
অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে যখন তা ছড়িয়ে পড়ে,
গিঁটে ফুঁ দেওয়া জাদুকরিনীদের অনিষ্ট থেকে,
আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
সূরা নাস (الناس)
আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
مَلِكِ النَّاسِ
إِلَٰهِ النَّاسِ
مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
কুল আউযু বিরাব্বিন নাস
মালিকিন নাস
ইলাহিন নাস
মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস
আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফি সুদূরিন নাস
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস
অর্থ:
বলুন, আমি আশ্রয় চাই মানুষের রবের কাছে,
মানুষের বাদশাহর কাছে,
মানুষের উপাস্যের কাছে,
সেই কুমন্ত্রণা দানকারীর অনিষ্ট থেকে,
যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
সে জ্বিন হোক কিংবা মানুষ।
কিছু সূরার ফজিলত
১. সূরা ফাতিহা
·
এটিকে বলা হয় “উম্মুল কিতাব” বা কুরআনের মূল।
·
প্রতিটি নামাজে এর তেলাওয়াত অপরিহার্য।
·
রোগমুক্তি ও দোয়া কবুলের জন্যও সূরা ফাতিহা পাঠ করা যায়।
২. সূরা কাফিরুন
·
তাওহীদের ঘোষণা ও দ্বীনকে স্পষ্ট করার সূরা।
·
নিয়মিত পাঠ করলে শিরক থেকে বাঁচা যায়।
·
হাদিসে এসেছে, এটি এক-তৃতীয়াংশ কুরআনের সমতুল্য সওয়াব বহন করে।
৩. সূরা নাস
·
কুমন্ত্রণা ও শয়তানের প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়।
·
প্রতিদিন সকালে ও রাতে পাঠ করলে আল্লাহর হিফাজতে থাকা যায়।
·
শিশুদের জন্যও এটি নিয়মিত পড়া খুবই উপকারী।
উপসংহারঃ
সূরা ফাতিহা থেকে সূরা নাস পর্যন্ত প্রতিটি সূরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ উপকারি। নামাজ, দোয়া এবং দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তার জন্য এসব সূরা নিয়মিত পড়া উচিত।
(সূরা ইখলাছ, ফালাক, নাস) এই তিন সূরা একসাথে পাঠ করলে একে বলা হয় মু'আওয়িযাত।নবী করীম ﷺ নিয়মিত এগুলো পড়তেন সকালে-সন্ধ্যায় এবং ঘুমের আগে নিজে ও পরিবারকে পড়িয়ে দিতেন। এগুলো শয়তান, জাদু, হিংসা ও সকল অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য সর্বোত্তম দোয়া।
.webp)